TRIP TO MOHIPUR BRIDGE, RANGPUR New Tista Bridge Mohipur Ghat Rangpur on The Biggest Tista river of Bangladesh. This Bridge is one of the Longest Bridge of Bangladesh. It was buildup in 2018 TOUR TO MOHIPUR BRIDGE, RANGPUR TOUR TO MOHIPUR BRIDGE, RANGPUR TOUR TO MOHIPUR BRIDGE, RANGPUR
Teesta Railway Bridge, Rangpur Teesta Railway Bridge is the third largest railway bridge of the country lengths about 2000 feet and constructed in the year 1834. In 1978, to manage load of road vehicles for Lalmonirhat, Kurigram and beyond by ferry, the then president Ziaur Rahman instructed the Railway and Roads authority to set wooden sleepers in the rail bridge between the rails for all types of vehicular movement. Same year, March 4, President Ziaur Rahman inaugurated the bridge for vehicular movement. The bridge restores the communication from divisional headquarters of Rangpur with two districts, Lalmonirhat and Kurigram. Tour To Teesta Railway Bridge, Rangpur Tour To Teesta Railway Bridge, Rangpur
পরিবেশবাদীদের সত্যিকারের হিরো মহান মঙ্গোল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা খানদের খান দ্যা গ্রেট খান চেঙ্গিস খান ! 💥পরিবেশবিদ চেঙ্গিস খান! গ্রেট খান চেঙ্গিস খানের নিষ্ঠুরতা হত্যাযজ্ঞ পৃথিবীর ইতিহাসে এক অমোঘ কালো অধ্যায় ।তবে এর একটা উল্টো দিকও রয়েছে।১৯৯৫ সালের ৩১শে ডিসেম্বর আমেরিকার নেতৃস্হানীয় সংবাদপত্র ‘ওয়াশিংটন পোস্ট~ এবং টেলিভিশন নিউজ চ্যানেল সিএনএন গত এক হাজার বছরের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসাবে চেঙ্গিস খানকে ~ম্যান অব দ্য মিলেনিয়াম- হিসাবে নির্বাচিত করে । সাম্রাজ্য বিস্তারে চেঙ্গিস খান যে হত্যাযজ্ঞ চালান, এতে অনেক এলাকা মানবশূন্য হয়ে পড়ে । ওই এলাকাগুলোতে কৃষিজমি ও বসতবাড়িতে গাছপালা জন্মে ক্রমে তা বনজঙ্গলে পরিণত হয় । অনেক এলাকা হয়ে যায় গহিন অরণ্য। এসব বনজঙ্গলের গাছপালা বায়ুমণ্ডল থেকে বিপুল পরিমাণ পরিবেশ দূষণকারী কার্বন ডাই-অক্সাইড শুষে নেয় । চেঙ্গিস খান নিজের অগোচরে যে প্রক্রিয়ায় পরিবেশ রক্ষায় সহায়ক ভূমিকা পালন করছেন, তা অবশ্যই গবেষকদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। তবে পরিবেশবিদদের মতে, চেঙ্গিস খানের এই প্রক্রিয়াই পরিবেশ শীতলরাখার ক্ষেত্রে প্রথম মানবসৃষ্ট উপায় । তবে ৭০ কোটি টন...
ইউরোপ ও এশিয়ার মিলনকারী দেশ তুরস্ক। হাজার বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ধারণ করে তুরস্ক বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত একটি দেশ। দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেফ এরদোগান। এই শাসনামলে তুরস্কের রাজনৈতিক, সামরিক, কূটনীতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে সারাবিশ্বে। প্রেসিডেন্ট এরদোগানের বিভিন্ন ভূমিকা ও সিদ্ধান্তের কারণে বর্তমান মুসলিম বিশ্বে একদিকে যেমন তুমুল জনপ্রিয়, অন্যদিকে গোটা পশ্চিমা বিশ্বের নিকট চরম সমালোচিত। প্রায় ৭০০ বছর ধরে উসমানীয় খেলাফত বা অটোমান শাসনের কেন্দ্রভূমি ছিলো তুরস্ক। ইস্তাম্বুল শহরে বসে ইউরোপ, উত্তর অফ্রিকা, মধ্য এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য সহ বিশাল এলাকা শাসন করতেন অটোমান সুলতানগণ। খলিফা হিসেবে অটোমান সুলতানরা সারা মুসলিম বিশ্বে বিপুল সম্মান কুড়িছেন। কিন্তু প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অটোমান সম্রাজের পরাজয়ের পর ১৯২৪ সালে অনুষ্ঠানিকভাবে তাদের পরিসমাপ্তি ঘটে। জন্ম হয় সেকুলারিজম তত্ত্বের বিশ্বাসী আধুনিক তুরস্কের। ফলশ্রুতিতে, রাতারাতি মুসলিম বিশ্বে উপর কর্তৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণ হারায় তুরস্ক। আধুনিক তুরস্কের গঠন, অটোমান সাম্রাজ্যের পতন ও তুরস্ককে শতবৎসরের জন্য পরাশক্তি হতে না দেওয়ার জন্য স...
মৃত্যুশয্যায় সাহাবী খালিদ বিন ওয়ালিদ। দূর্বল কন্ঠে তাঁর স্ত্রীকে বিছানায় পাশে বসতে বললেন। খুব প্রয়োজনীয় একটি প্রশ্নের উত্তর জানা যে বাকি রয়ে গেছে! এই সেই মহাবীর খালিদ যিনি সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সেনাপ্রধান। যার নেতৃত্বে মুসলিম বাহিনী ১০০ টিরও বেশি যুদ্ধে অংশ নিয়েছে এবং কোনোটাতেই পরাজয় বরণ করেনি। তার রণকৌশল আজও বিভিন্ন দেশের সেনাবাহিনীতে প্রশিক্ষণের সময় পাঠ্য হিসাবে শিখানো হয়! তাঁর নামে মুসলিম দেশগুলোতে আজও অনেক ব্রিগেড, যুদ্ধবিমান ও নৌযানের নামকরণ করা হয়। এই সেই খালিদ বিন ওয়ালিদ যাকে স্বয়ং রাসূল মুহাম্মদ (সা.) 'সাইফুল্লাহ' উপাধি দিয়েছিলেন, যার মানে আল্লাহর তরবারি। এই সেই খালিদ যিনি মুসলিম বাহিনীর সেনাপ্রধান হিসেবে তুখোড় বিজয়ী আর ক্যারিয়ারের তুঙ্গে থাকা অবস্থায় তৎকালীন খলিফা উমর ইবনুল খাত্তাবের নির্দেশে বিনা বাক্য ব্যয়ে সেনাপ্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে সাধারণ সৈনিক হিসেবে লড়াই করা শুরু করেন। নেতার নেতৃত্ব মানতে হবে, এতো ইসলামে ভীষণ জোড় দিয়ে বলা। নেতার নির্দেশের প্রতি আনুগত্য একজন সত্যিকার বীরের মহত্ব। স্ত্রীকে খালিদ বললেন, 'প্রিয়তমা স্ত্রী, আমি বেশিক্ষণ বাঁচবো বলে মনে হ...
ফার্সি গদ্যের জনক মহাকবি শেখ সাদি দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাভাষী পাঠকের কাছে অতি প্রিয় কবি। শুধু বাঙালিই নয় বিশ্বজুড়ে তিনি অত্যন্ত সমাদৃত। তার কিছু বিখ্যাত উপদেশ। ১. তিন জনের নিকট কখনো গোপন কথা বলিও না- (ক) স্ত্রী লোক (খ) জ্ঞানহীন মূর্খ (গ) শত্রু। ২. অকৃতজ্ঞ মানুষের চেয়ে কৃতজ্ঞ কুকুর শ্রেয়। ৩. আমি আল্লাহকে সবচেয়ে বেশী ভয় পাই, তার পরেই ভয় পাই সেই মানুষকে যে আল্লাহকে মোটেই ভয় পায় না। ৪. এমনভাবে জীবনযাপন করে যেন কখনো মরতে হবে না,আবার এমনভাবে মরে যায় যেন কখনো বেচেই ছিল না। ৫. হিংস্র বাঘের উপর দয়া করা নীরিহ হরিনের উপর জুলুম করার নামান্তর। ৬. যে সৎ, নিন্দা তার কোন অনিষ্ট করতে পারে না। ৭. প্রতাপশালী লোককে সবাই ভয় পায় কিন্তু শ্রদ্ধা করে না। ৮. দেয়ালের সম্মুখে দাঁড়িয়ে কথা বলার সময় সতর্ক হয়ে কথা বলো, কারন তুমি জান না দেয়ালের পেছনে কে কান পেতে দাঁড়িয়ে আছে। ৯. মুখের কথা হচ্ছে থুথুর মত, যা একবার মুখ থেকে ফেলে দিলে আর ভিতরে নেওয়া সম্ভব নয়। তাই কথা বলার সময় খুব চিন্তা করে বলা উচিত। ১০. মন্দ লোকের সঙ্গে যার উঠা বসা, সে কখনো কল্যানের মুখ দেখবে না। ১১. পরিক্ষা ভিন্ন কিছু বিশ্বাস করিও না। ...
তোমাকে নিয়ে লিখছি প্রথম কবিতা, আমার কবিতা তোমার প্রথম দর্শন নিয়ে, আমার কবিতা তোমাকে ভালবাসা নিয়ে, আমার কবিতা মূর্ছে যাওয়া ইচ্ছে নিয়ে, আমার কবিতা মূর্ছে যাওয়া সপ্ন নিয়ে, আমার কবিতা তোমাকে আজন্ম ভালবাসা নিয়ে। আমি তোমাকে আজন্ম ভালবাসতে চাই, লিখতে চাই তোমায় নিয়ে হাজারো কবিতা, আকাশে বাতাসে আমার কবিতা পাঠ মিলিয়ে যাবে, তুমি কি শুনবে আমার কবিতা বাতাসের কাছ থেকে?
শহর ছেড়ে প্রশান্তির জন্য যেতে পারেন সাগরের তীরে। বাংলাদেশে বেশ কিছু সি-বীচ থাকলেও কুয়াকাটা (Kuakata) একদমই ব্যাতিক্রম। অনন্য গুণের জন্যই কুয়াকাটাকে বলা হয় সাগর কন্যা। কোলাহল মুক্ত নিরিবিলি নেই কোন মানুষের গাদাগাদি যেখানে আপন মনে নিজের মতো করে সময় কাটিয়ে দিতে পারেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা। প্রশস্ত সি-বীচ কোলাহল মুক্ত ও নিরিবিলি। যেখানে নিজের মতো করে সময় কাটাতে পারেন। বসে থাকার জন্য ২০/৩০ টাকা ঘণ্টায় আরামদায়ক চেয়ার ভাড়া পাবেন। বাড়তি আনন্দের জন্য ফোর হুইলার ইজি বাইক পাবেন। এছাড়াও স্পীড বোডে জন প্রতি ২০০/- টাকায় সমুদ্র ভ্রমণ করতে পারবেন। সব শেষে সূর্যাস্ত উপভোগ করতে পারেন। সি-বীচ সি-বীচ সি-বীচ মিসরিপাড়া বৌদ্ধ মন্দির মিসরিপাড়া বৌদ্ধ মন্দির সি-বীচ ঝাউবন